Tuesday 13th of April 2021 02:11:19 AM

stdClass Object ( [product_id] => 264 [product_name] => বর্তমানে বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে: প্রধানমন্ত্রী [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 2 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

বর্তমানে বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষেঅনুশীলন শান্তির অগ্রসেনা সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা জানান। তাঁর সরকারী বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন তিনি

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা অতীতের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনা ভাইরাসের মতো অদৃশ্য শত্রুর আবির্ভাব, প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার এবং সময়ের অগ্রযাত্রার সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন হুমকির উপাদান সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে শান্তিরক্ষীদের বহুমাত্রিক জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। সাম্প্রতি শান্তিরক্ষীদের প্রাণহানির সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। এযাব বাংলাদেশি ১৫৮ জন শান্তিরক্ষী প্রাণোৎসর্গ করেছেন এবং ২৩৭ জন আহত হয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে আগামী দিনের নতুন সংকটগুলো মোকাবিলায় শান্তিরক্ষীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ সরঞ্জামাদি দিয়ে প্রস্তুত করা এখন সময়ের দাবি

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অনুশীলন শান্তির অগ্রসেনা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সাম্প্রতিক সময়ের উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে কিছু ঘটনা অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমাদের ভবিষ্যত শান্তিরক্ষীরা সুপ্রশিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে। এই অনুশীলনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে নারীদের অবদান তুলে ধরা হয়েছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে অত্যন্ত নিখুঁত এবং সফলভাবে এই অনুশীলনটি আয়োজন করার জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাই। জাতির পিতার শান্তিদর্শন প্রতিষ্ঠায় এই বহুজাতিক অনুশীলনটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে

যেকোনো দেশের জাতীয় মর্যাদা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী অপরিহার্য। তেমনি, সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সক্ষমতা যাচাইয়ে নিয়মিত অনুশীলনের বিকল্প নেই। জাতির পিতা স্বাধীন বাংলাদেশে একটি সুশৃঙ্খল পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি অত্যাধুনিক সামরিক একাডেমি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর আদর্শকে ধারণ করে তাঁর প্রতি সম্মান জানাতে আমরা ২০২০-২০২১ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি। পাশাপাশি সমগ্র বাঙালি জাতি গৌরবের সঙ্গে উদযাপন করছে আমাদের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। বিশ্বের ১১৬টি দেশের নেতারা ভিডিও এবং লিখিত অভিনন্দনবার্তা প্রেরণ করেছেন। এসব বার্তায় অত্র অঞ্চলসহ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবদানের স্বীকৃতি মিলেছে

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ বছরে আমরা আমাদের তিন বাহিনীর আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রসর হয়েছি। আমাদের সামরিক বাহিনীতে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র প্রযুক্তির সংযোজন করেছি। সন্ত্রাসবাদ জঙ্গিবাদ নিরসনে আমরাশূন্য সহনশীলতার নীতিগ্রহণ করেছি। মহামারীর সময়েও . শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি। এখন পর্যন্ত হাজার ৮০০ নারী শান্তিরক্ষীসহ লাখ ৭৫ হাজারের অধিক বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ৫টি মহাদেশের ৪০টি দেশে ৫৪টি মিশনে অংশগ্রহণ করেছে। বর্তমানে হাজারের অধিক বাংলাদেশি সেনা পুলিশ সদস্য ১০টি মিশনে শান্তিরক্ষার উদ্দেশ্যে মোতায়েন আছে। আমাদের শান্তিরক্ষীগণ যে মিশনেই গেছেন, সেখানে জাতিসংঘের পতাকাকে সমুন্নত উড্ডীন রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুজ্জ্বল করেছেন। একারণেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে

এই অনুশীলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্ধুপ্রতিম দেশ ভারত, ভুটান শ্রীলংকা থেকে আসা অংশগ্রহণকারী সামরিক সদস্যদের আন্তরিক অভিবাদন জানান প্রধানমন্ত্রী। স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, সৌদি আরব, কুয়েত এবং সিঙ্গাপুর থেকে আসা আমন্ত্রিত পর্যবেক্ষকদের

[product_price] => [product_image] => public/image/bHmORo5qIIzmhqBdxGIP.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-12 17:15:57 [updated_at] => 2021-04-12 17:15:57 [category_name] => জাতীয় ) stdClass Object ( [product_id] => 263 [product_name] => কঠোর লকডাউনেও শিল্প-কারখানাসহ যা খোলা থাকছে [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

কোভিড-১৯ সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে সাত দিনব্যাপী কঠোর লকডাউন শুরু হচ্ছে।  এই সময়ে গণপরিবহন ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও উৎপাদনমুখী কারখানা খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা বিধিনিষেধের প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  এতে বলা হয়েছে ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত এসব নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
এই সময় সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। 

তবে শিল্পকারখানা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শ্রমিকদের আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

লকডাউনে গার্মেন্টস, শিল্পপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকছে। জরুরি সেবা চালু থাকবে।

দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে রোগী ও মৃত্যু লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় এক সপ্তাহের এই কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দিল সরকার। 

পোশাক শিল্পমালিকরা লকডাউনের মধ্যেও কারখানা খোলা রাখার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএসহ আরও কয়েকটি সংগঠন রোববার ঢাকায় এক যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেও এ দাবি তুলে ধরে।

লকডাউনের প্রস্তুতিতে রোববার বিকালে সরকারের কয়েকটি দপ্তরের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের বৈঠক হয়। সেখানে উৎপাদনমুখী কারখানা চালু রাখার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। 

এর আগেও প্রথম দফার লকডাউনে শিল্পকারখানা খোলা ছিল। 

দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সরকার সারা দেশে এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করে গত ৪ এপ্রিল। গত ৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া সাত দিনের লকডাউন বা বিধিনিষেধের মেয়াদ ১১ এপ্রিল রাত ১২টায় শেষ হয়। 

এ নিয়ে গত ৪ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর পর তা ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

তবে শুরু থেকেই লকডাউন প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা। 

[product_price] => [product_image] => public/image/rik9jSl6hoq19USXKCXd.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-12 17:15:19 [updated_at] => 2021-04-12 17:15:19 [category_name] => করোনা ভাইরাস ) stdClass Object ( [product_id] => 262 [product_name] => গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি না দিলে দুর্বার আন্দোলন: হেফাজত আমির [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 5 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

হাটহাজারী থেকে গতরাতে নিখোঁজ হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীকে সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে এবং নারায়ণগঞ্জের মদনপুর থেকে আটক হেফাজতের সহঅর্থসম্পাদক মুফতি ইলিয়াস হামিদিসহ সারা দেশে গ্রেফতার নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন সংগঠনটির আমির ও হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালক আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

সোমবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও চিন্তিত। গতরাত থেকে এখন পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।  দেশের একজন প্রখ্যাত আলেম ও সচেতন নাগরিক হিসেবে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকার এবং প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ছিল।

হেফাজত আমির বলেন, অনতিবিলম্বে আজিজুল হক ইসলামাবাদীকে সুস্থ শরীরে আমাদের মধ্যে ফিরিয়ে দিতে হবে। মারকাজুল কোরআন মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি ইলিয়াস হামিদিসহ আটক হেফাজতের সব নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। নিরপরাধ মানুষকে এভাবে গ্রেফতার ও হামলা মামলা বরদাশত করা হবে না।

পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হেফাজতের নেতাকর্মীদের শহীদ করেছে দাবি করে হেফাজত আমির বলেন, এসব ন্যক্কারজনক ঘটনার পরও দেশের বিভিন্ন জায়গায় একের পর মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে হেফাজত নেতাকর্মীদের নামে। এত জুলুমের পরও হেফাজতে ইসলাম অত্যন্ত ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। সরকার প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হেফাজতে ইসলামের সরলতাকে দুর্বলতা মনে করলে এর চরম মাসুল দিতে হবে। হেফাজতে ইসলাম দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা চায়। তবে জুলুমবাজদের জুলুমে পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেলে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

হুশিয়ারি উচ্চারণ করে আমিরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, আমাদের নিকট খবর এসেছে গভীর রাতে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হেফাজত নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। হেফাজতে ইসলাম  দেশে নৈরাজ্য ও সন্ত্রাস চায় না। হেফাজত ইসলাম শান্তি চায়।  হেফাজতে ইসলাম একটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপ্রিয় সংগঠন। তবে নেতাকর্মীদের ওপর এভাবে জুলুম চলতে থাকলে আমরা নিশ্চুপ ঘরে বসে থাকব না। দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

[product_price] => [product_image] => public/image/MtOjjFJMpJtthl8f9RZv.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-12 17:14:41 [updated_at] => 2021-04-12 17:14:41 [category_name] => রাজনীতি ) stdClass Object ( [product_id] => 261 [product_name] => হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসলামাবাদী আটক [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 5 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীকে আটকের পর একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

রোববার হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে চট্টগ্রামের বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন ইসলামাবাদী।  সোমবার বেলা ১ টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্চিল বলে দাবি পরিবারের।  পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইসলামাবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  বর্তমানে তিনি ঢাকায় ডিবি কার্যালয়ে আছেন বলে ইসলামাবাদীর ছোটভাই মুহাম্মদ ইরফানুল হককে জানানো হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা টেলিফোনে জানান, চট্টগ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। ঢাকায় হেফাজতের একটি মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়েছে। আজই তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হবে।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) যুগ্ম-কমিশনার মো. মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে জানান, ২০১৩ সালে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের জ্বালাও-পোড়াওয়ের অভিযোগে আজিজুল হক ইসলামাবাদীর বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা হয়। ওই মামলায় রোববার ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

এদিকে সোমবার সকালে ইসলামাবাদীর ছোটভাই মুহাম্মদ ইরফানুল হক জানান, রোববার হাটহাজারী মাদ্রাসায় হেফাজতের বৈঠক শেষে মাগরিবের নামাজ পড়ে আমার ভাই মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী চট্টগ্রামের চকবাজারের বাসার উদ্দেশে রওনা দেন।  সন্ধ্যা ৭টা নাগাদও তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগ হয়।  এ সময় তিনি জানিয়েছেন, বাসার দিকে রওনা হয়েছেন; তার সঙ্গে একজন সফরসঙ্গী রয়েছে।

রাত ৮টার দিকে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সারারাত মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।  সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান পায়নি পরিবার।  তবে সোমবার ভোর ৪টা থেকে ইসলামাবাদীর বন্ধ থাকা মোবাইল সচল হলেও ফোন রিসিভ হচ্ছে না।  এমতাবস্থায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় রয়েছেন বলে জানান ইসলামাবাদীর ছোটভাই মুহাম্মদ ইরফানুল হক।

উল্লেখ্য, হেফাজত নেতা আজিজুল হক ইসলামাবাদী চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হরিণখাইন এলাকার মাওলানা সৈয়দ আহমেদের বাড়ির হাফেজ আহমদ উল্লাহর ছেলে।  তিনি ছয় ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়।
তিনি পরিবার-পরিজন নিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। 

[product_price] => [product_image] => public/image/rqfzFkyKlEI1VphGyB3W.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-12 17:14:09 [updated_at] => 2021-04-12 17:14:09 [category_name] => রাজনীতি ) stdClass Object ( [product_id] => 260 [product_name] => রমজানে প্রয়োজনীয় দ্রব্যের খুচরা মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 4 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

রমজান মাসকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় দ্রব্যের যৌক্তিক খুচরা মূল্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এ মূল্য অনুসারে পেঁয়াজ প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৪০ টাকা, চিনি ৬৭ টাকা এবং সয়াবিন তেল প্রতি লিটার সর্বোচ্চ ১৩৯ টাকা দরে খুচরা বাজারে বিক্রি করা যাবে।

আসন্ন রমজান মাসে বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতেই সরকারের এই পদক্ষেপ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেশের আকাশে হিজরি ১৪৪২ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেলে বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে রমজান মাস গণনা শুরু হবে ও মুসলমানরা রোজা রাখা শুরু করবেন। সেক্ষেত্রে মঙ্গলবার রাতেই এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ পড়া শুরু হবে এবং রোজা রাখতে শেষ রাতে প্রথম সেহরিও খাবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

এদিকে, সৌদি আরবের আকাশে রবিবার মাহে রমজানের চাঁদ দেখা যায়নি। সোমবার ৩০ দিন পূর্ণ হবে শাবান মাস। অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে সৌদি আরবে রোজা শুরু হবে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, মিসর, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং সিঙ্গাপুরেও মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হবে।

[product_price] => [product_image] => public/image/37LNUnUWwTtC0NBGk0pD.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-12 17:13:31 [updated_at] => 2021-04-12 17:13:31 [category_name] => সারাদেশ ) stdClass Object ( [product_id] => 259 [product_name] => করোনা আক্রান্ত খালেদা জিয়ার চিকিৎসা কোথায় হবে? [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 5 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।  রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জানানো হয়েছে, করোনা পরীক্ষায় পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে খালেদা জিয়ার।  তিনি গুলশানের যে বাসায় থাকছেন, সেই ফিরোজার ৯ জন স্টাফ কোভিড-আক্রান্ত।  

৭৫ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, আর্থাইটিসসহ নানা জটিল রোগে ভুগছেন।  এমতাবস্থায় তার করোনা আক্রান্তের খবরে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা কাজ করছে।

আজ তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন চিকিৎসকরা।  বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে চিকিৎসকদের প্রতিনিধিদল খালেদা জিয়াকে দেখতে তার গুলশানের বাসভবনে যাবেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান।  

চিকিৎসকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরই খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

এর আগে করোনায় আক্রান্ত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসার পরামর্শ দেন তার কয়েকজন চিকিৎসক।  এ জন্য রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনা ইউনিটে কেবিন বুক করাও হয়েছে।  সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রসহ (আইসিইউ) সব ধরনের সুবিধা থাকছে।  যদিও বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা যে পর্যায়ে, তাতে এখনই আইসিইউসুবিধার দরকার নেই।

অবশ্য চিকিৎসকেরা বলছেন, দেশে করোনার রোগী বাড়ছে।  অল্প সময়ের মধ্যে আইসিইউসুবিধা পাওয়া নিয়ে গণমাধ্যমে নানা খবর আসছে।  এ কারণে আগে থেকেই একটি আইসিইউ বেড ও কেবিন বুক করে রাখা হয়েছে।

খালেদা জিয়ার একজন চিকিৎসক গণমাধ্যমকে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বয়স হয়েছে।  তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন।  করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যাদের বয়স বেশি এবং অন্য শারীরিক জটিলতা আছে, তারা স্বাভাবিকভাবেই ঝুঁকিতে থাকেন।  এসব বিবেচনায় তারা মনে করছেন, হাসপাতালে রেখে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা দেওয়া উচিত।  

অবশ্য খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা এও বলছেন যে, এই মুহূর্তে খালেদা জিয়ার তেমন কোনো জটিলতা নেই।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা, মো. আল মামুন রোববার জানান, খালেদা জিয়ার জ্বর, সর্দি, কাশি বা গলাব্যথাএ ধরনের কোনো উপসর্গ এই মুহূর্তে নেই।  তবে তারপরও তাঁরা সব ব্যবস্থা নিয়ে রাখছেন। 


চিকিৎসকরা বলছেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের পুরো চিকিৎসার বিষয় দেখভাল করেন তার বড় ছেলে তারেক রহমানের স্ত্রী চিকিৎসক জোবাইদা রহমান। তিনি লন্ডনে স্বামীর সঙ্গে অবস্থান করছেন। সব ধরনের মেডিকেল রিপোর্ট ও খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা
সম্পর্কিত তথ্য জোবাইদা রহমানকে পাঠানো হয়েছে।  ঢাকায় তার পরিবারের সদস্যরাও সবকিছু জানেন।  ডা. জোবাইদাসহ অন্যরা মিলে ঠিক করবেন, বিএনপি চেয়ারপারসনকে আপাতত বাসায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে, নাকি হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে। 

খালেদা জিয়া গত শনিবার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা আইসিডিডিআরবিতে দেন। ওই দিন রাতেই রিপোর্ট দেওয়া হয়। সেখানে দেখা যায়, বিএনপির চেয়ারপারসন করোনায় আক্রান্ত।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ মানবিক বিবেচনায় শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়।

তখন থেকে তিনি গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগও সীমিত। [product_price] => [product_image] => public/image/Xoe4EaDNit2Rh7rNmsBW.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-12 17:13:00 [updated_at] => 2021-04-12 17:13:00 [category_name] => রাজনীতি ) stdClass Object ( [product_id] => 258 [product_name] => শফী হত্যা মামলায় বাবুনগরী-মামুনুলসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 5 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির শাহ আহমদ শফীকে হত্যার অভিযোগ দায়ের হওয়া মামলায় বাবুনগরী, মামুনুল হক ও আজিজুলসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল তৃতীয় জজ আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর সকালে আহমদ শফীর শ্যালক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন বাদী হয়ে চট্টগ্রামের তৃতীয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-৩ এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।  মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, আহমদ শফীকে মানসিক নির্যাতন এবং তার অক্সিজেন মাস্ক খুলে দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

[product_price] => [product_image] => public/image/9vrw9Q6lFqxL8Y7OV0o8.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-12 17:12:25 [updated_at] => 2021-04-12 17:12:25 [category_name] => রাজনীতি ) stdClass Object ( [product_id] => 257 [product_name] => লকডাউন কার্যকরে মাঠে থাকবে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 4 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

সারাদেশে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে জারিকৃত সর্বাত্মক লকডাউন কার্যকরে মাঠে থাকবে প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। সর্বাত্মক লকডাউন জারি করে আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার

নিয়ে এক ভিডিও বার্তায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রজ্ঞাপনে দেওয়া বিধিনিষেধগুলো যাতে সবাই যথাযথভাবে পালন করে সেজন্য মাঠ প্রশাসনকে বিশেষ করে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

নির্দেশনা বাস্তাবায়ন নিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সারাদেশে জেলা মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ নেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ করবেন নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে

[product_price] => [product_image] => public/image/2AXiEzDeC3qO2fqIzuWY.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-12 17:11:43 [updated_at] => 2021-04-12 17:11:43 [category_name] => সারাদেশ ) stdClass Object ( [product_id] => 256 [product_name] => করোনায় এক দিনে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৭৮ জনের মৃত্যু [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় এক দিনে সর্বোচ্চ ৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল নয় হাজার ৭৩৯ জন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে গেল ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৮১৯ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯ হাজার ২৯৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা করা হয়েছে ২৯ হাজার ৩৭৬টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৫০ লাখ ২ হাজার ৮৬৫টি। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৮১ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

গত ৩১ মার্চ করোনায় ৫২ জনের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কখনোই ৫০ এর নিচে নামেনি।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।

[product_price] => [product_image] => public/image/1IOnHoUnsoAkJqS0HJvE.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 17:25:03 [updated_at] => 2021-04-11 17:25:03 [category_name] => করোনা ভাইরাস ) stdClass Object ( [product_id] => 255 [product_name] => খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

রোববার আইসিডিডিআরবির রিপোর্টে তার করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের কোভিড পজিটিভের সত্যতা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিনিয়র জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলামও যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

তবে খালেদা জিয়ার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি তার পরিবার জানে না। 

বিএনপি চেয়ারপারসনের ভাগনে ও ব্যক্তিগত চিকিৎসক মামুন বলেন, খালেদা জিয়ার  করোনা আক্রান্ত খবর ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। 

করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় বাড়তি সতর্কতা হিসেবে শনিবার বিকাল ৩টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন ফিরোজায় নমুনা দেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের পরামর্শে করোনার নমুনা নেওয়া হয়। বিকাল ৩টার দিকে ল্যাবএইডের টেকনোলজিস্ট মো. সবুজ তার বাসায় প্রবেশ করেন। 

এর কিছুক্ষণ পর খালেদা জিয়ার ভাগনে ডা. মামুনও বাসায় যান। এ সময় তার উপস্থিতিতে খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ এবং ডায়াবেটিস পরীক্ষার জন্য রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

তবে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক মামুনের বরাত দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, এটি চেয়ারপারসনের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা। করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা নেওয়া হয়নি।

[product_price] => [product_image] => public/image/CY2S9j7fmzfX6JoCBxaV.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 16:49:54 [updated_at] => 2021-04-11 16:49:54 [category_name] => করোনা ভাইরাস ) stdClass Object ( [product_id] => 254 [product_name] => সারা দেশে সোম-মঙ্গলবারও ‘লকডাউন’: ওবায়দুল কাদের [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 4 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

দেশে চলমান এক সপ্তাহের লকডাউন রোববার রাত ১১টায় শেষ হচ্ছে। তবে আগামীকাল সোমবার ও পরদিন মঙ্গলবারও এর ধারাবাহিকতা চলবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

রোববার সকালে রাজধানীর সংসদ ভবনের বাসভবনে সংবাদ সংম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ শেষ হচ্ছে প্রথম দফার লকডাউন। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হবে অপেক্ষাকৃত কঠোর ও সর্বাত্মক লকডাউন। 

১২ ও ১৩ এপ্রিল তাহলে কী হবে- জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের স্পষ্ট করে বলেন, প্রথম ধাপের চলমান লকডাউনের ধারাবাহিকতা চলবে এ দুদিন।

[product_price] => [product_image] => public/image/7nk3tEGz8xXstmXPLygL.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 13:16:58 [updated_at] => 2021-04-11 13:16:58 [category_name] => সারাদেশ ) stdClass Object ( [product_id] => 253 [product_name] => হাসপাতালে বেডের জন্য হাহাকার [product_subhead] => বাড়ছে করোনা রোগী, সেই সাথে হাসপাতালে বাড়ছে ভিড়৷ তবে শয্যা সংকট থাকায়, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন না অনেকেই৷ [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

রাজধানীর উত্তরখানের বাসিন্দা মনোয়ারা বেগমকে (৫৫) নিয়ে তার ছেলে রায়হান গত এপ্রিল একের পর এক রাজধানীর পাঁচটি হাসপাতালে যান৷ গুরুতর অসুস্থ মায়ের জরুরিভিত্তিতে অক্সিজেন প্রয়োজন৷ কিন্তু কোনো হাসপাতালই প্রয়োজন অনুযায়ী অক্সিজেন দিতে পারেনি৷ মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যান মা৷

চিকিৎসা নিতে গিয়ে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হচ্ছেন অনেকেই৷ দেশের কোনো হাসপাতালেই এখন আইসিইউ শয্যা খালি নেই৷ সাবেক সংসদ সদস্য জনপ্রিয় অভিনেত্রী কবরী সারওয়ারও আইসিইউ পাননি৷ পরে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তাকে শেখ রাসেল গ্যাস্টোলিভার হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়৷

করোনা ভাইরাসের নতুন ঢেউয়ে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় হঠা করে বিপুল রোগীর চাপ সামলাতে পারছে না রাজধানীর হাসপাতালগুলো৷ মারাত্মক শয্যা সংকট তৈরি হওয়ায় যথাসময়ে চিকিৎসা না পেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অনেক রোগী মারা যাচ্ছেন বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক কর্নেল নাজমুল হক ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আমাদের প্রায় ৮০০ বেড করোনা রোগীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে৷ এখন এর একটিও খালি নেই৷ প্রতিদিনই রোগীর চাপ বাড়ছে৷ এর মধ্যে যে রোগীদের অক্সিজেন দরকার শুধু তাদেরই ভর্তি করা হচ্ছে৷ অন্যদের ভর্তি করার কোন সুযোগ নেই৷ আইসিইউ তো একেবারেই খালি নেই৷'' সামনের দিনে পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দেবেন জানতে চাইলে নাজমুল হক বলেন, ‘‘এখানে বেড বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই৷ বেড বাড়ানো হলে এখন যেসব রোগী আছে তাদের চিকিৎসায় বিঘ্ন ঘটবে৷ ফলে সুস্থ্য হয়ে কেউ গেলেই শুধু বেড খালি হচ্ছে৷’’

এদিকে প্রতিদিনই করোনায় মৃত্যু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে৷ শনিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, আক্রান্ত হাজার ৩৪৩ জন৷ একদিনে এত মৃত্যু মহামারি শুরুর পর আর হয়নি৷ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে মৃত্যুর হার ৩০ শতাংশ বেড়েছে৷ গত ২৮ মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত মোট ৩৪৪ জনের মৃত্যু হয়৷ আর এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে অর্থা, এই দিনে মারা গেছেন ৪৪৮ জন৷

এমন অবস্থার বিপরীতে হাসপাতালগুলোতে চলছে সংকট৷ ঢাকার বেশ কয়েকটি সরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে শয্যা মারাত্মক সংকটের বিষয়টি জানা গেছে৷

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘আজকে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে একটি বেডও খালি হয়নি৷ ফলে নতুন রোগী ভর্তি করা যায়নি৷ তবে আমরা ১০০ বেড আর ১০টি আইসিইউ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছি৷ এখন বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে একটি বেড বা আইসিইউও খালি নেই৷'' শুধু বেড বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে কীনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘না, এভাবে সম্ভব হবে না৷ আমরা তো বলছি, এখনই কঠোর লকডাউন দিয়ে মানুষের চলাচল সীমিত করতে হবে৷ পাশাপাশি কোনো পরিবারে কেউ আক্রান্ত হলে তাকে আইসুলেশনে পাঠাতে হবে৷’’

একই পরিস্থিতি কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালেরও৷ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শিহাব উদ্দিন জানান, তার হাসপাতালে গত সপ্তাহের তুলনায় রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৩০ শতাংশ৷ যত সময় যাচ্ছে, রোগী তত বাড়ছে৷ কোন রোগী ছাড় পাওয়ার পরপরই সেখানে নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছেন৷ আইসিইউ পূর্ণ৷ এখন যারা ভর্তি হচ্ছে তাদের অধিকাংশেরই অক্সিজেন প্রয়োজন৷ ফলে সবাইকে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে৷

এখনই হাসপাতালগুলো সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে, রোগী যেভাবে বাড়ছে তাতে সামনের দিনগুলোতে কিভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে? জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘এখনই বেড পাচ্ছে না, ভবিষ্যতেও পাবে না৷ এখন তিনজন পাচ্ছে না, ভবিষ্যতে ১৩ জন পাবে না৷ এই তো? আমরা বারবার বলছি, ১৫ বা ২১ দিনের লকডাউন প্রয়োজন৷ মানুষের মুভমেন্ট সীমিত করতে হবে৷ কিন্তু সরকার সাতদিনের লকডাউন দিল, এখন বলছে, আরো সাতদিনের কঠোর লকডাউন দেওয়া হবে৷ কঠোর লকডাউনটা অবার কী? সাতদিনে আপনি কিভাবে বুঝবেন পরিস্থিতি আপনার নিয়ন্ত্রণে এসেছে কী-না? ফলে এখন যা হচ্ছে, তাতে আমার মনে হচ্ছে না যে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে৷ সামনের দিনে আরো খারাপের দিকেই যাচ্ছে৷’’

একই কথা বলছিলেন আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বর্তমান উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন৷ ডয়চে ভেলেকে তিনি বলেন, ‘‘আইসিইউ সেট-আপ করতে হয়ত সময় লাগে, কেননা এতে জনবল লাগে৷ কিন্তু হাই-ফ্লো অক্সিজেনের সাপ্লাইটা আমাদের বাড়াতে হবে৷ সেটার সক্ষমতা আমাদের আছে৷ দ্রুত এটা করতে হবে৷ অনেক রোগীকে শুধু অক্সিজেন দিয়েই সুস্থ করে তোলা সম্ভব৷’ - dw

[product_price] => [product_image] => public/image/zed5YvEXUj4YBVIEfEgW.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 13:16:09 [updated_at] => 2021-04-11 13:16:09 [category_name] => করোনা ভাইরাস ) stdClass Object ( [product_id] => 252 [product_name] => মিয়ানমারের বাগো শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর ক্র্যাকডাউনে ৮০ জনের বেশি নিহত [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 3 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

মিয়ানমারের বাগো শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর চালানো ক্র্যাকডাউনে ৮০ জনেরও বেশি মানুষ মারা গেছেন। খবরে বলা হচ্ছে, নিহতদের শরীর সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিয়ে গেছে, এবং হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা হয়ত কখনোই জানা যাবে না। প্রত্যক্ষদর্শীরা দেশটির গণমাধ্যমকে বলেছেন, সৈন্যরা ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছিল এবং নড়াচড়া করে এমন যেকোন কিছুর ওপরই গুলি চালিয়েছে

সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে পর্যন্ত ৬০০' বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য সামরিক বাহিনী দমন-পীড়নের মাত্রা বাড়িয়েছে। ইয়াঙ্গন শহরের কাছে বাগো শহরে এই সহিংসতা শুক্রবার ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে, কিন্তু গণমাধ্যমের কাছে এই খবর পৌঁছাতে পুরো একদিন লেগেছে

কারণ শহরের বহু বাসিন্দাকে বাধ্য হয়ে আশেপাশের গ্রামে পালিয়ে যেতে হয়েছিল

মনিটরিং গ্রুপ অ্যাসিসটেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস এএপিপি বলছে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি ছিল

সংবাদ সংস্থা দ্য মিয়ানমার নাউ বিক্ষোভের আয়োজন ইয়ে হুটুটকে উদ্ধৃত করে বলেছে, "এটা গণহত্যার মতই। তারা প্রতিটি ছায়ার দিকে গুলি ছুড়েছে।"

ফেব্রুয়ারির তারিখে সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটির সেনাবাহিনী এক বছর ব্যাপী জরুরি অবস্থা জারি , তখন থেকে মিয়ানমার, যা বার্মা নামেও পরিচিত, জুড়ে গণবিক্ষোভ চলছে। সশস্ত্র বাহিনীর দাবি, গত বছরের নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে যাতে দেশটির নেতা অং সান সুচি এবং তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি এনএলডি পুনঃনির্বাচিত হয় এবং সরকার গঠন করে। নির্বাচন কমিশন এই দাবি নাকচ করে আসছে

শুক্রবার ৎখাত হওয়া সংসদ সদস্যরা এবং জাতিসংঘে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। তারা দেশটির সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো এবং অস্ত্র অবরোধ বা আর্মস এমবার্গো নো-ফ্লাই জোন করার মত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান

জাতিসংঘে ওই বৈঠকে আরো সতর্কতা দেয়া হয় যে মিয়ানমার, 'রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার দ্বারপ্রান্তে' রয়েছে।ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ঊর্ধ্বতন উপদেষ্টা রিচার্ড হোর্সে বলেছেন, সামরিক শাসনের ফলে দেশটিতে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে দেশটি শাসনের অযোগ্য হয়ে পড়ছে

সূত্র : বিবিসি বাংলা

[product_price] => [product_image] => public/image/dlOWdyyNGgLHFhHOJhx3.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 13:15:03 [updated_at] => 2021-04-11 13:15:03 [category_name] => আন্তর্জাতিক ) stdClass Object ( [product_id] => 251 [product_name] => ৪ ঘণ্টা পরপর পভিডিন আয়োডিন দিয়ে কুলিতে দ্রুত করোনামুক্তি [product_subhead] => বঙ্গবন্ধু মেডিক্যালের গবেষণা [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

এক শতাংশ পভিডিন আয়োডিনের মিশ্রণ নিয়ে ৪ ঘণ্টা পরপর কুলি এবং এই মিশ্রণের কয়েক ফোঁটা নাকে ও চোখে প্রয়োগ করলে ব্যবহারকারী করোনাভাইরাস পজিটিভ থেকে দ্রুত নেগেটিভ হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের ডা: ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী ও তার পাঁচ সহযোগী চিকিৎসকের গবেষণায় দেখানো হয়েছে যে, এই মিশ্রণটি ব্যবহার করলে আক্রান্তের মৃত্যুর আশঙ্কা কমে যাচ্ছে, তাদের অক্সিজেনও কম প্রয়োজন হচ্ছে।

এ বিষয়ে গবেষণার প্রধান ডা: ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গত ১৫০ বছর ধরে পৃথিবীতে পভিডিন আয়োডিন অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এখন এটি প্রমাণিত হয়েছে যে বিভিন্ন ঘনত্বের পভিডিন, আয়োডিন করোনাভাইরাসকে অকার্যকর দিতে পারছে।

ডা: ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী ও তার দলের পরামর্শে বাড়িতে অবস্থান করে চিকিৎসাটি যারা নিয়েছেন তাদের মোটসংখ্যা ছিল এক হাজার ১১৩ জন। এরা সবাই করোনা আক্রান্ত ছিলেন। এদের মধ্যে থেকে ৬০৬ জনকে বাছাই করা হয় দৈবচয়নের ভিত্তিতে। এই ৬০৬ জন করোনা পজিটিভ রোগীকে একই রকমভাবে দৈব চয়নের মাধ্যমে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এক ভাগে ৩০৩ জন রোগীকে ১০ শতাংশ পভিডিন আয়োডিন মিশ্রিত পানি দিয়ে চার সপ্তাহ ধরে কুলি করানো হয় ৪ ঘণ্টা পরপর। এই রোগীদের নাকে ও চোখেও একই মিশ্রণের ড্রপ দেয়া হয় একইভাবে চার সপ্তাহ ধরে। অন্য ৩০৩ জনকে একইভাবে ৪ ঘণ্টা পরপর চার সপ্তাহ ধরে কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করানো হয়। দুই গ্রুপের ৬০৬ জনকে একই সাথে লক্ষণভিত্তিক ওষুধ ও চিকিৎসা দেয়া হয়। দুই গ্রুপের সবারই প্রতি তৃতীয়, পঞ্চম ও সপ্তম দিন আরটি পিসিআর পরীক্ষা করানো হয়। দুই গ্রুপের সব রোগীরই একই সাথে চতুর্থ সপ্তাহে থাইরয়েড হরমোন লেবেল টিএসএইচ, টি৩, এফটি৪ পরীক্ষা করা হয়। ডা: ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ৩০৩ জনের যে গ্রুপটিকে ১ শতাংশ পভিডিন আয়োডিন দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে দ্রুত অসুস্থতা দূর হয়ে তারা করোনা নেগেটিভ হন। তাদের মধ্যে মৃত্যুহারও হ্রাস পায়।

এ ছাড়া ১ শতাংশ পভিডিন আয়োডিনের মিশ্রণটি প্রয়োগের ৭ দিন পর দেখা গেছে, মাত্র ২.৬৪ শতাংশ করোনার রোগী আরটি পিসিআর পরীক্ষায় পজিটিভ থেকে যায়। অন্য দিকে যাদেরকে কুসুম গরম পানি দিয়ে কুলি করানো হয়েছে তাদের ৭ দিন পর আরটি পিসিআর পরীক্ষায় ৭০.৩০ শতাংশ পজিটিভ ছিল। অন্য দিকে যাদের মিশ্রণটি দিয়ে কুলি করানো হয়েছে তাদের ৩.৩০ শতাংশ হাসপাতালে ভর্তির পর অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়েছিল। কিন্তু যাদের শুধু গরম পানি দেয়া হয়েছে তাদের ২০.৭৯ শতাংশকে অক্সিজেন দিতে হয়েছে।

ডা: ইকবাল মাহমুদ বলেন, ৩০৩ জনের যে গ্রুপটিকে পভিডিন আয়োডিনের মিশ্রণ দিয়ে কুলি করতে এবং চোখে ও নাকে ড্রপ দিতে বলা হয়েছিল এদের মধ্যে মৃত্যুর হার ০.৬৬ শতাংশ অর্থাৎ ২ জন এবং যাদের শুধু কুসুম গরম পানি দেয়া হয়েছিল তাদের মৃত্যুর হার ছিল ৫.৬০ শতাংশ অর্থাৎ ১৭ জনের মৃত্যু হয়।

পভিডিন আয়োডিন মিশ্রণ ব্যবহারকারী করোনা রোগীদের ৪৮৪ জন ছিলেন পুরুষ ও ১২২ ছিলেন নারী। এদের বয়স ছিল ১১ থেকে ৯০ বছর। এই রোগীদের বেশির ভাগই উচ্চশিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের।

ডা: ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, পভিডিন আয়োডিন দিয়ে কুলি করা, নাকে অথবা চোখে ড্রপ ব্যবহার করা খুবই সহজ। তিনি জানান, তাদের এই গবেষণা দলে আরো ছিলেন নীলুফার শবনম, তাজিন আহসান, মো: সাইফুল কবির, রাশেদ মো: খান এবং এস এম আবু আহসান। তারা সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাটি বায়ো রিসার্চ কমিউনিকেশন জার্নালে ছাপা হয়েছে। এটি একটি আন্তর্জাতিক জার্নাল। এ ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্যানডেমিক রেসপন্স এবং ইন্দোনেশিয়ার হাসপাতালে এ বিষয়ে গবেষণা চলমান রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ গবেষণাটির স্বীকৃতি দিয়েছে। গবেষণাটি ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত ডাটা নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে।

ডা: ইকবাল মাহমুদ চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন, তাদের এ মিশ্রণটি দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টের বেলায়ও প্রয়োজ্য হবে। কিছু কিছু কেসে তারা সফলতা পেয়েছেন। এ মুহূর্তে যথেষ্ট ডাটা নেই বলে সুনির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। শিগগিরই দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্টে যারা আক্রান্ত তাদের নিয়ে আরেকটি গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে, এর কাজ চলছে।

বাংলাদেশের বাজারে পাওয়া বিটাডিন/ পভিসেফ/ ভায়োডিন (১০%) অ্যান্টিসেপ্টিকের ২ চামচ এক গ্লাস পানিতে মিশাতে হবে। এ মিশ্রণটি মুখে নিয়ে কুলি (গড়গড়া) করতে হবে ৩ থেকে ৪ মিনিট ধরে। এই পানি নাকে ও দুই চোখে ড্রপার দিয়ে কয়েক ফোঁটা ব্যবহার করতে হবে।

এতে চোখের কোনো ক্ষতি হবে না বলে জানিয়েছেন ডা: ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি জানান, এ মিশ্রণটি ব্যবহার করলেও সবাইকে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে, ঘনঘন সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে এবং ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে।

[product_price] => [product_image] => public/image/oiSwH9DQet8Qko4ZX4Bf.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 13:07:57 [updated_at] => 2021-04-11 13:07:57 [category_name] => করোনা ভাইরাস ) stdClass Object ( [product_id] => 250 [product_name] => ভারত করোনার সব রেকর্ড ভাঙলো, একদিনে আক্রান্ত ১ লাখ ৫২ হাজার [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 3 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

করোনাভাইরাসে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে ভারতে।  সব রেকর্ড ভেঙে দেশটিতে একদিনেই ১ লাখ ৫২ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।  এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান মহামারিতেই এটাই কোভিড আক্রান্তের সবচেয়ে বড় পরিসংখ্যান।  

রোববার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির প্রভাবশালী গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এনডিটিভি।

[product_price] => [product_image] => public/image/1rdtCCnm4echjonlc4YE.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 13:06:55 [updated_at] => 2021-04-11 13:06:55 [category_name] => আন্তর্জাতিক ) stdClass Object ( [product_id] => 249 [product_name] => শিল্পী মিতা হকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 4 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী মিতা হকের মৃত্যুতে গভীর শোক দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আজ রবিবার (১১ এপ্রিল) পৃথক শোক বার্তায় এই শোক প্রকাশ করেন তাঁরা

রাষ্ট্রপতি তাঁর শোক বার্তায় বলেন, বাংলাদেশে রবীন্দ্র চর্চা এবং রবীন্দ্রসংগীতকে সাধারণ মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে মিতা হকের প্রচেষ্টা মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি মিতা হকের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান

প্রধানমন্ত্রী তাঁর শোক বার্তায় মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান

আজ রবিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন মিতা হক

শিল্পী মিতা হক ১৯৬৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে তাঁর চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে অংশ নেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলা বাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে সংগীত শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন বেতারে সংগীত পরিবেশনা করেছেন

২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন মিতা হক। এরপর কবি রবীন্দ্রনাথের ১৫৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁকে বাংলা একাডেমির রবীন্দ্র পুরস্কার দেওয়া হয়। একই বছর চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত 'রবি-চ্যানেল আই রবীন্দ্রমেলা'য় রবীন্দ্রসংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মিতা হককে সম্মাননা দেওয়া হয়। ২০২০ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করে

মিতা হক অভিনেতা-পরিচালক খালেদ খানের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। খালেদ খান ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এই দম্পতির ফারহিন খান জয়িতা নামে এক কন্যা সন্তান রয়েছে

[product_price] => [product_image] => public/image/8k7mgBwIASRrjjSsyxHI.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 13:06:16 [updated_at] => 2021-04-11 13:06:16 [category_name] => সারাদেশ ) stdClass Object ( [product_id] => 248 [product_name] => সৌদি আরব সেনাবাহিনীর তিন সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 3 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

সৌদি আরবে গতকাল স্থানীয় সময় শনিবার সেনাবাহিনীর তিনজন সদস্যের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন এবং শত্রুদের সহযোগিতা করার অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদির বিশেষ আদালতে বিচারের পর ওই তিনজনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়

তবে ওই তিন ব্যক্তি ঠিক কাদের সহযোগিতা করেছেন, সে ব্যাপারে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কিছু জানানো হয়নি

জানা গেছে, ইয়েমেনের সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে। ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে ইরানের সহায়তাপ্রাপ্ত হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে ওই এলাকায় সৌদি আরবের সংঘর্ষ চলছে

এদিকে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের পর থেকে সারাবিশ্বে সমালোচিত হচ্ছে সৌদি আরব। সৌদির মানবাধিকার পরিস্থিতিও চরম সমালোচনার মুখে পড়েছে

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড বন্ধ করার জন্য অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা অনুরোধ জানিয়েছে আসছে। যদিও সৌদি আরব সেসব ব্যাপারে কর্ণপাত করে না

সৌদি আরবের মানবাধিকার কমিশনের তথ্য মোতাবেক, গত বছর সে দেশে ২৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তার আগের বছর ১৮৫ জনের মৃত্যুদণ্ড করা হয়েছিল। সূত্র: রয়টার্স, ফ্রান্স টোয়েন্টিফোর

[product_price] => [product_image] => public/image/DjzcIKDnjoW3aU1aGKvh.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 13:04:44 [updated_at] => 2021-04-11 13:04:44 [category_name] => আন্তর্জাতিক ) stdClass Object ( [product_id] => 247 [product_name] => কঠোর লকডাউনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও বন্ধ হতে পারে [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 2 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে কঠোর লকডাউন। এই লকডাউন চলাকালে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও বন্ধ হতে পারে বলে জানিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)

আজ রবিবার (১১ এপ্রিল) কঠোর লকডাউনের বিষয়ে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করবে। প্রজ্ঞাপনের ওপর নির্ভর করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বেবিচক

বেবিচক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান বলেন, সরকার কঠোর লকডাউন দিলে আমাদেরও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ করে দিতে হবে। যাত্রী যদি বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছাতে না পারে তবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু রেখে লাভ কী? সরকার কমপ্লিট শাডডাউন দিলে আমরাও ভাবছি সব ফ্লাইট বন্ধ করে দেবো। কারণ, যাত্রীরা তো বিমানবন্দরে আসতে পারবেন না। তারপরও লকডাউনের প্রজ্ঞাপন দেখি কী ধরনের বিধিনিষেধ থাকে

যদি আন্তঃজেলা পরিবহন না চলে তাহলে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটও বন্ধ থাকবে বলে জানান বেবিচক চেয়ারম্যান

দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পেলে গত এপ্রিল থেকে যুক্তরাজ্য ছাড়া ইউরোপের সব দেশের সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় বেবিচক। ইউরোপের দেশগুলো ছাড়াও আর্জেন্টিনা, বাহরাইন, ব্রাজিল, চিলি, জর্ডান, কুয়েত, লেবানন, পেরু, কাতার, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক উরুগুয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে। কঠোর লকডাউনে সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধের দিকে যাচ্ছে সংস্থাটি

[product_price] => [product_image] => public/image/LSQb1MMFLDnoszOiOBCG.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 13:03:56 [updated_at] => 2021-04-11 13:03:56 [category_name] => জাতীয় ) stdClass Object ( [product_id] => 246 [product_name] => চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => *রেকর্ডের পর রেকর্ড ভেঙে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা *চিকিত্সা না পেয়েই মারা যাচ্ছেন অনেকে *আমরা এখন বাঁচা-মরার যুদ্ধে: ডা. সহিদুল্লাহ [product_long_description] =>

দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে। এ কারণে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। চিকিত্সার অভাবে করোনা রোগীরা মারা যাচ্ছে। রেকর্ডের পর রেকর্ড ভাঙছে মৃত্যু। হাসপাতালে সিট নেই। ধারণক্ষমতার তিন থেকে চার গুণ রোগীর ভিড়। অক্সিজেন নেই। দিনের পর দিন অপেক্ষায় থেকেও মিলছে না আইসিইউ। সব মিলিয়ে করোনার চিকিত্সা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

দেশে করোনায় মৃত্যুর হার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ চিকিৎসা না পাওয়া। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৬ জেলায় আইসিইউ নেই। এসব জেলায় কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে চলে আসছে ঢাকায়। আবার যেসব জেলায় আইসিইউ আছে, সেসব জেলায়ও দায়িত্ব না নিয়ে চিকিত্সকরা রোগীকে ঢাকায় পাঠিয়ে দিচ্ছেন। অনেক রোগী আবার নিজের ইচ্ছায় ঢাকায় চলে আসছে। বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ও সিভিল সার্জনরা জেলা শহরে করোনা রোগীদের চিকিত্সাসেবা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে ঢাকায় প্রচণ্ড রোগীর চাপ। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে রাস্তায় মারা যাচ্ছে। ঢাকায় মৃত্যু ও শনাক্তের হার বেশি। ১০ মাস আগে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এত দিনেও ৩৬ জেলায় আইসিইউ ইউনিট তৈরি না হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগের গাফিলতিকে দায়ী করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, যথেষ্ট সময় পাওয়ার পরও চিকিত্সা ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানো হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে চিকিত্সা ব্যবস্থার এই বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হতো না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষরাও বলছেন, প্রচণ্ড রোগীর চাপ আমরা আর সামাল দিতে পারছি না।

রাজধানীতে করোনা রোগীদের চিকিত্সাসেবা নিয়োজিত ডাক্তাররা বলেন, সাধ্যের মধ্যে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে চিকিত্সাসেবা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু হাসপাতালে রোগী রাখার ঠাঁই নেই। চোখের সামনে রোগী বিনা চিকিত্সায় মারা যাচ্ছে। এই দৃশ্য আর সইতে পারছি না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা যারা বাস্তবায়ন করেননি, তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা বলেন, করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির প্রস্তাব মানেন না নন-মেডিক্যাল পার্সনরা। ৩৬ জেলায় আইসিইউ এখনো কেন চালু হয়নি। চিকিত্সাসেবা খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি আরো কয়েকটি মন্ত্রণালয় জড়িত। করোনার এই অবস্থার জন্য শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একা দায়ী নয়। তারাও দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক শ্রেণির কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে অবহেলা করছেন। কারণ কী? এটা নিয়ে চিকিত্সকদের প্রশ্ন। এটা কী সরকারকে বেকায়দায় ফেলানোর ষড়যন্ত্র? এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নইলে সামনে ভয়াবহ মৃত্যুর মিছিল তৈরি হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা করোনা নিয়ন্ত্রণে আগামী দুই সপ্তাহ কঠোর লকডাউনের পরামর্শ দিয়েছেন।

করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ বলেন, আমরা বলে যাচ্ছি, করোনা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। এটা নিয়ন্ত্রণে যেসব মতামত দিচ্ছি তা হালকাভাবে নেওয়া ঠিক হবে না। এখন আমরা ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছি। মানুষ সচেতন না হলে সামনে আরো ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধে আছি। যুদ্ধে যা করতে হয়, করোনা যুদ্ধে তাই করতে হবে। করোনা যুদ্ধে জয়ী হতে হলে সবার স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, মানাতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে সব কিছু চলছে। এ কারণে করোনা চিকিত্সা সক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এখনো সময় আছে, সব সিটি করপোরেশন ও বড় বড় শহরে দুই সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউন দিতে হবে। তাহলে সংক্রমিত মানুষ অন্যদের মধ্যে ছড়াতে পারবে না। দুই সপ্তাহ পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কিছু খুলে দিতে পারে। অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ বলেন, মনে রাখতে হবে, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে করোনা এমন ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে চলে গিয়েছিল যে, ঐ সব দেশে এক পর্যায়ে ৬০ বছরের বেশি মানুষকে চিকিত্সাসেবার বাইরে রেখে ইয়ংদের চিকিত্সাসেবা দেওয়া হয়েছিল। বৃদ্ধদের আইসিইউ থেকে সরিয়ে অল্প বয়স্কদের আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। এতে আইসিইউ সাপোর্ট না পেয়ে বৃদ্ধরা মারা যান। সেই পরিস্থিতি এখন বাংলাদেশে চলে এসেছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই।

করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সদস্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সব জেলায় আইসিইউ চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়নি। ৩৬ জেলায় এখনো আইসিইউ নেই। যারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারেননি, তারাই করোনায় মৃত্যুর জন্য দায়ী। ব্যর্থতার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ চিকিত্সার অভাবে করোনা রোগীরা মারা যাচ্ছে। ব্যাপক হারে করোনা রোগী বাড়ায় সক্ষমতার বাইরে চলে গেছে চিকিত্সাসেবা। সব রোগী ঢাকায় চলে আসছে। তিনি বলেন, করোনা থেকে রক্ষা পেতে এখন স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, মানাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিত্সক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, যে হারে করোনা রোগী বাড়ছে তাতে চিকিত্সাসেবা ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। মৃত্যু আরো বাড়তে থাকবে। চিকিত্সার অভাবে রোগীরা মারা যাবে। তাই সবার স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, মানাতে হবে। এ ব্যাপারে কঠোর থেকে কঠোরতর হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব এনেসথেসিওলজিস্টের সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এনেসথেসিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বণিক বলেন, আমরা ৩৬ জেলায় আইসিইউ করার জন্য জনবল ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। এরপর মিটিংয়ের পর মিটিং হয়েছে। কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। মাঝখানে করোনা কমে গেলে অনেকে সুর দিয়েছিলেন যে, করোনা জয় করেছি। তিনি বলেন, এখন করোনা রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিত্সা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সিট পাওয়া যাচ্ছে না, অক্সিজেন পাওয়া যাচ্ছে না। অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বণিক বলেন, আমরা বিদেশফেরতদের কোয়ারেন্টাইনে রাখতে পারিনি। যার খেসারত দিতে হচ্ছে। এখন লকডাউন, লকডাউন, লকডাউন, কঠোর লকডাউন দিতে হবে দুই সপ্তাহ। আর এই দুই সপ্তাহ দেশের গরিব মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে।

দেশে করোনা ভাইরাসে গত এক দিনে ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এ যাবত্কালের সর্বাধিক। তবে দিনে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা গত কয়েক দিনের তুলনায় কমেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শনিবার জানিয়েছে, গতকাল শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৩৪৩ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৯৩৭ জন। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত কয়েক দিন ধরেই দিনে ৬ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়ে আসছিল। এর মধ্যে গত বুধবার রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

জনগণের সচেতনতার অভাব, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে উদাসীনতাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) গবেষণায় বাজার ও গণপরিবহন থেকে করোনা সংক্রমণের সর্বোচ্চ ঝুঁকির চিত্র উঠে এসেছে। আইইডিসিআরের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজার ও গণপরিবহন থেকে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে ৬১ শতাংশ। অন্যদিকে জনসমাগমস্থল থেকে করোনা ছড়ানোর ঝুঁকি শতকরা ৩৫ ভাগ। এদিকে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তে নমুনা পরীক্ষা, নতুন রোগী শনাক্ত, মৃত্যু এবং সুস্থতাসহ সব সূচকই ঊর্ধ্বমুখী। এপিডেমিওলজিক্যাল ১৩তম সপ্তাহের (২৮ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল) সঙ্গে এপিডেমিওলজিক্যাল ১৪তম সপ্তাহের (৪ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল) তুলনামূলক বিশ্লেষণে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এতে দেখা গেছে, একই সময়ে করোনায় মৃত্যু বেড়েছে ৩০ দশমিক ২৩ শতাংশ, নমুনা পরীক্ষা বেড়েছে ১৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ, নতুন রোগী শনাক্ত বেড়েছে ২৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং রোগী সুস্থতা বেড়েছে ৪২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এক দিনে মৃতদের মধ্যে ৫১ জন ঢাকা বিভাগের, ১৫ জন চট্টগ্রাম বিভাগের। - আবুল খায়েরপাঠের  [product_price] => [product_image] => public/image/V9VJrVZ4UxExkwKQlyUn.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 12:55:12 [updated_at] => 2021-04-11 12:55:12 [category_name] => করোনা ভাইরাস ) stdClass Object ( [product_id] => 245 [product_name] => চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => *রেকর্ডের পর রেকর্ড ভেঙে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা *চিকিত্সা না পেয়েই মারা যাচ্ছেন অনেকে *আমরা এখন বাঁচা-মরার যুদ্ধে: ডা. সহিদুল্লাহ [product_long_description] =>

দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়ছে। এ কারণে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। চিকিত্সার অভাবে করোনা রোগীরা মারা যাচ্ছে। রেকর্ডের পর রেকর্ড ভাঙছে মৃত্যু। হাসপাতালে সিট নেই। ধারণক্ষমতার তিন থেকে চার গুণ রোগীর ভিড়। অক্সিজেন নেই। দিনের পর দিন অপেক্ষায় থেকেও মিলছে না আইসিইউ। সব মিলিয়ে করোনার চিকিত্সা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

দেশে করোনায় মৃত্যুর হার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ চিকিৎসা না পাওয়া। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৩৬ জেলায় আইসিইউ নেই। এসব জেলায় কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে চলে আসছে ঢাকায়। আবার যেসব জেলায় আইসিইউ আছে, সেসব জেলায়ও দায়িত্ব না নিয়ে চিকিত্সকরা রোগীকে ঢাকায় পাঠিয়ে দিচ্ছেন। অনেক রোগী আবার নিজের ইচ্ছায় ঢাকায় চলে আসছে। বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ও সিভিল সার্জনরা জেলা শহরে করোনা রোগীদের চিকিত্সাসেবা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। গত দুই সপ্তাহ ধরে ঢাকায় প্রচণ্ড রোগীর চাপ। অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে রাস্তায় মারা যাচ্ছে। ঢাকায় মৃত্যু ও শনাক্তের হার বেশি। ১০ মাস আগে প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এত দিনেও ৩৬ জেলায় আইসিইউ ইউনিট তৈরি না হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগের গাফিলতিকে দায়ী করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, যথেষ্ট সময় পাওয়ার পরও চিকিত্সা ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানো হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলে চিকিত্সা ব্যবস্থার এই বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হতো না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষরাও বলছেন, প্রচণ্ড রোগীর চাপ আমরা আর সামাল দিতে পারছি না।

রাজধানীতে করোনা রোগীদের চিকিত্সাসেবা নিয়োজিত ডাক্তাররা বলেন, সাধ্যের মধ্যে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে চিকিত্সাসেবা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু হাসপাতালে রোগী রাখার ঠাঁই নেই। চোখের সামনে রোগী বিনা চিকিত্সায় মারা যাচ্ছে। এই দৃশ্য আর সইতে পারছি না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা যারা বাস্তবায়ন করেননি, তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা বলেন, করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির প্রস্তাব মানেন না নন-মেডিক্যাল পার্সনরা। ৩৬ জেলায় আইসিইউ এখনো কেন চালু হয়নি। চিকিত্সাসেবা খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি আরো কয়েকটি মন্ত্রণালয় জড়িত। করোনার এই অবস্থার জন্য শুধু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একা দায়ী নয়। তারাও দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক শ্রেণির কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে অবহেলা করছেন। কারণ কী? এটা নিয়ে চিকিত্সকদের প্রশ্ন। এটা কী সরকারকে বেকায়দায় ফেলানোর ষড়যন্ত্র? এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। নইলে সামনে ভয়াবহ মৃত্যুর মিছিল তৈরি হবে। বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকরা করোনা নিয়ন্ত্রণে আগামী দুই সপ্তাহ কঠোর লকডাউনের পরামর্শ দিয়েছেন।

করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ বলেন, আমরা বলে যাচ্ছি, করোনা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। এটা নিয়ন্ত্রণে যেসব মতামত দিচ্ছি তা হালকাভাবে নেওয়া ঠিক হবে না। এখন আমরা ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছি। মানুষ সচেতন না হলে সামনে আরো ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধে আছি। যুদ্ধে যা করতে হয়, করোনা যুদ্ধে তাই করতে হবে। করোনা যুদ্ধে জয়ী হতে হলে সবার স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, মানাতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে সব কিছু চলছে। এ কারণে করোনা চিকিত্সা সক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এখনো সময় আছে, সব সিটি করপোরেশন ও বড় বড় শহরে দুই সপ্তাহের জন্য কঠোর লকডাউন দিতে হবে। তাহলে সংক্রমিত মানুষ অন্যদের মধ্যে ছড়াতে পারবে না। দুই সপ্তাহ পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কিছু খুলে দিতে পারে। অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ বলেন, মনে রাখতে হবে, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে করোনা এমন ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে চলে গিয়েছিল যে, ঐ সব দেশে এক পর্যায়ে ৬০ বছরের বেশি মানুষকে চিকিত্সাসেবার বাইরে রেখে ইয়ংদের চিকিত্সাসেবা দেওয়া হয়েছিল। বৃদ্ধদের আইসিইউ থেকে সরিয়ে অল্প বয়স্কদের আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। এতে আইসিইউ সাপোর্ট না পেয়ে বৃদ্ধরা মারা যান। সেই পরিস্থিতি এখন বাংলাদেশে চলে এসেছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই।

করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সদস্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সব জেলায় আইসিইউ চালুর নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হয়নি। ৩৬ জেলায় এখনো আইসিইউ নেই। যারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে পারেননি, তারাই করোনায় মৃত্যুর জন্য দায়ী। ব্যর্থতার দায়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ চিকিত্সার অভাবে করোনা রোগীরা মারা যাচ্ছে। ব্যাপক হারে করোনা রোগী বাড়ায় সক্ষমতার বাইরে চলে গেছে চিকিত্সাসেবা। সব রোগী ঢাকায় চলে আসছে। তিনি বলেন, করোনা থেকে রক্ষা পেতে এখন স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, মানাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিত্সক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, যে হারে করোনা রোগী বাড়ছে তাতে চিকিত্সাসেবা ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। মৃত্যু আরো বাড়তে থাকবে। চিকিত্সার অভাবে রোগীরা মারা যাবে। তাই সবার স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, মানাতে হবে। এ ব্যাপারে কঠোর থেকে কঠোরতর হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব এনেসথেসিওলজিস্টের সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এনেসথেসিওলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বণিক বলেন, আমরা ৩৬ জেলায় আইসিইউ করার জন্য জনবল ও যন্ত্রপাতি ক্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। এরপর মিটিংয়ের পর মিটিং হয়েছে। কিন্তু সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। মাঝখানে করোনা কমে গেলে অনেকে সুর দিয়েছিলেন যে, করোনা জয় করেছি। তিনি বলেন, এখন করোনা রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিত্সা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। সিট পাওয়া যাচ্ছে না, অক্সিজেন পাওয়া যাচ্ছে না। অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বণিক বলেন, আমরা বিদেশফেরতদের কোয়ারেন্টাইনে রাখতে পারিনি। যার খেসারত দিতে হচ্ছে। এখন লকডাউন, লকডাউন, লকডাউন, কঠোর লকডাউন দিতে হবে দুই সপ্তাহ। আর এই দুই সপ্তাহ দেশের গরিব মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে।

দেশে করোনা ভাইরাসে গত এক দিনে ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা এ যাবত্কালের সর্বাধিক। তবে দিনে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা গত কয়েক দিনের তুলনায় কমেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শনিবার জানিয়েছে, গতকাল শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৩৪৩ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৯৩৭ জন। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে গত কয়েক দিন ধরেই দিনে ৬ হাজারের বেশি রোগী শনাক্ত হয়ে আসছিল। এর মধ্যে গত বুধবার রেকর্ড ৭ হাজার ৬২৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

জনগণের সচেতনতার অভাব, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে উদাসীনতাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) গবেষণায় বাজার ও গণপরিবহন থেকে করোনা সংক্রমণের সর্বোচ্চ ঝুঁকির চিত্র উঠে এসেছে। আইইডিসিআরের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজার ও গণপরিবহন থেকে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে ৬১ শতাংশ। অন্যদিকে জনসমাগমস্থল থেকে করোনা ছড়ানোর ঝুঁকি শতকরা ৩৫ ভাগ। এদিকে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তে নমুনা পরীক্ষা, নতুন রোগী শনাক্ত, মৃত্যু এবং সুস্থতাসহ সব সূচকই ঊর্ধ্বমুখী। এপিডেমিওলজিক্যাল ১৩তম সপ্তাহের (২৮ মার্চ থেকে ৩ এপ্রিল) সঙ্গে এপিডেমিওলজিক্যাল ১৪তম সপ্তাহের (৪ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল) তুলনামূলক বিশ্লেষণে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এতে দেখা গেছে, একই সময়ে করোনায় মৃত্যু বেড়েছে ৩০ দশমিক ২৩ শতাংশ, নমুনা পরীক্ষা বেড়েছে ১৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ, নতুন রোগী শনাক্ত বেড়েছে ২৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং রোগী সুস্থতা বেড়েছে ৪২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এক দিনে মৃতদের মধ্যে ৫১ জন ঢাকা বিভাগের, ১৫ জন চট্টগ্রাম বিভাগের। - আবুল খায়েরপাঠের  [product_price] => [product_image] => public/image/5eogsXQB1GCrGQDiLO5F.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 12:55:11 [updated_at] => 2021-04-11 12:55:11 [category_name] => করোনা ভাইরাস ) stdClass Object ( [product_id] => 244 [product_name] => ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় ১১ হাজার মানুষের মৃত্যু [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

কোভিড-১৯ মহামারীর থাবায় বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ২৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, রোববার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১১ হাজার ২৭৪ জন এবং নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৩ হাজার ৫৫৫ জন। এ নিয়ে বিশ্বে মোট করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ কোটি ৫৯ লাখ ৯৪ হাজার ১২৩ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ কোটি ৯৩ লাখ ৫৮ হাজার ৫২৪ জন।

চীনের উহানে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে মহামারী ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ১৮ লাখ ৬৯ হাজার ৯৮০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৭৫ হাজার ৫৯৩ জনের।

আক্রান্ত ও মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন ১ কোটি ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার ৬ জন এবং মারা গেছেন ৩ লাখ ৫১ হাজার ৪৬৯ জন।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে চতুর্থ অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত করোনায় ১ কোটি ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার ৪৬৫ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩০৫ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ লাখ ২৩ হাজার ৭৮৫ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন ৯৮ হাজার ৬০২ জন।

[product_price] => [product_image] => public/image/C9X4mW0PmWR1x8k6cpeF.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 12:46:44 [updated_at] => 2021-04-11 12:46:44 [category_name] => করোনা ভাইরাস ) stdClass Object ( [product_id] => 243 [product_name] => বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আবারও লকডাউন [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 3 [editor_name] => Online Desk [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ সারা বিশ্বেই বাড়ছে। অবস্থায় সংক্রমণ কমাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নতুন করে লকডাউন কারফিউ জারি করা হয়েছে। নিচে বেশ কিছু দেশের লকডাউন বিধিনিষেধের চিত্র তুলে ধরা হলো

ভারতে করোনায় সবচেয়ে সংক্রমিত রাজ্য মহারাষ্ট্রে সপ্তাহান্তে লকডাউন জারি করা হয়েছে। রাজ্যটিতে করোনার সংক্রমণ তীব্র রূপ নেওয়ায় এবং টিকায় ঘাটতি থাকায় শনিবার এই লকডাউন জারি করা হয়। ছাড়া মহারাষ্ট্র এর রাজধানী মুম্বাইয়ে রেস্টুরেন্টগুলো বন্ধ এবং পাঁচজনের বেশি লোক একত্রে জড়ো হওয়ার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আর ছত্তিশগড়ের রায়পুর জেলাতেও ১০ দিনের লকডাউন জারি করা হয়েছে

কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটায় প্রায় ৮০ লাখ নাগরিককে ঘরে থাকার করোনা বিধিনিষেধ পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে করোনার তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলা করছে ল্যাটিন আমেরিকার দেশটি দেশটির সব বড় শহরে ইতোমধ্যে কারফিউ চলছে

রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছে আর্জেন্টিনা। শুক্রবার থেকে এই কারফিউ শুরু হয়েছে। চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। 

পুরো ফ্রান্সে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। জার্মানিতে বেশকিছু রাজ্যে মানুষের চলাচল বাণিজ্যে কড়াকড়ি আরোপ করার চেষ্টা করছে দেশটির সরকার

ইরানের অধিকাংশ অঞ্চলে শনিবার থেকে ১০ দিনের লকডাউন জারি করা হয়েছে। ইরানের ৩১টি প্রদেশের ২৩টিতে এই লকডাউন কার্যকর হবে। লকডাউনে ব্যবসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, থিয়েটার খেলাধুলার অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে এবং বুধবার থেকে শুরু হওয়া পবিত্র রমজান মাসে লোকজনের জড়ো হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে 

[product_price] => [product_image] => public/image/FvVzfRNXM1i6uVzRJDkg.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => [created_at] => 2021-04-11 12:30:03 [updated_at] => 2021-04-11 12:30:03 [category_name] => আন্তর্জাতিক ) stdClass Object ( [product_id] => 239 [product_name] => করোনা ৬১ শতাংশ মাত্র দুই উৎস থেকেই ছড়াচ্ছে [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => 1 [product_short_description] => [product_long_description] =>

দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। সেই সাথে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। শুক্রবার ( এপ্রিল) গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৪৬২ জনের আর মৃত্যু হয়েছে ৬৩ জনের। শুক্রবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়

সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণ বিশ্লেষণ করে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান এখন দুটিবাজার এবং গণপরিবহন। দেশে এখন পর্যন্ত যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের বড় অংশই হয় বাজারে গেছেন, নয়তো গণপরিবহন ব্যবহার করেছেন

মার্চ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে আট হাজার করোনা রোগীর তথ্য পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর জানিয়েছে, আক্রান্ত রোগীদের ৬১ শতাংশের বাজারে যাওয়া এবং গণপরিবহন ব্যবহারের ইতিহাস রয়েছে। এছাড়া সংক্রমিত হওয়া ৩০ শতাংশের বেশি মানুষ জনসমাগমস্থল (সভাসেমিনার) এবং উপাসনালয়ে গিয়েছিলেন

ওই সাড়ে আট হাজার রোগীর তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, তাঁদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্রে গিয়েছিলেন ২৬ শতাংশ, করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসেছিলেন ২২ শতাংশ। ছাড়া আন্তবিভাগ ভ্রমণ করেছিলেন ১৩ শতাংশ, সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন ১২ শতাংশ

আইইডিসিআর জানিয়েছে, সংক্রমণ রোধে মাস্কপরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন বিকল্প নেই। সাথে নিতে হবে টিকা। গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি নিশ্চিত করতে হবে। বাজার খোলা জায়গায় নিয়ে আসার নির্দেশনা আছে, এটিও নিশ্চিত করতে হবে। কোথাও বদ্ধ জায়গায় বাজার হলে সেখানে যাতে জনসমাগম বেড়ে না যায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে

সম্প্রতি দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়ে গেছে। এটাকে বলা হচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এই পরিস্থিতিতে গত এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে সাত দিনের লকডাউন বা বিধি-নিষেধ জারি করে সরকার। এই বিধি-নিষেধের মেয়াদ শেষ হবে ১১ এপ্রিল রাত ১২টায়। এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে দিনের জন্য 'কঠোর লকডাউনে' যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্যবিধি মানায় মানুষের উদাসীনতা করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সময়ে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান সংস্থা ছাড়া সরকারী-বেসরকারী সব অফিস বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে বন্ধ থাকবে গণপরিবহন, শিল্প প্রতিষ্ঠান সকল কারখানা

[product_price] => 1 [product_image] => public/image/OOvx3AIsyaRfM8H62DoR.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => 1 [created_at] => 2021-04-10 18:23:00 [updated_at] => 2021-04-10 18:23:14 [category_name] => করোনা ভাইরাস ) stdClass Object ( [product_id] => 240 [product_name] => সব রেকর্ড ভেঙে দেশে সর্বোচ্চ ৭৭ প্রাণহানি [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => 1 [product_short_description] => [product_long_description] =>

করোনাভাইরাসে দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ ও মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে; যা একদিনে সর্বোচ্চ। এই সময়ে করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩৪৩ জন। 

শনিবার বিকালে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত এক দিনে আরও ৫ হাজার ৩৪৩ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৯৩৭ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৭৭ জনকে নিয়ে দেশে মোট মৃতের সংখ্যা গিয়ে ঠেকেছে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ৬৬১ জনে। 

গত একদিনে সেরে উঠেছেন ৩ হাজার ৮৩৭ জন। তাদের নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৭২ হাজার ৩৭৮ জন।

[product_price] => 1 [product_image] => public/image/ezXdCeqw4t3lFP1OV3qw.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => 1 [created_at] => 2021-04-10 18:23:00 [updated_at] => 2021-04-10 18:24:03 [category_name] => করোনা ভাইরাস ) stdClass Object ( [product_id] => 237 [product_name] => 'মোদি-অমিত শাহের হাতে রক্ত লেগে আছে' [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 3 [editor_name] => [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => 1 [product_short_description] => [product_long_description] =>

ভারতের কোচবিহারের শীতলকুচি মাথাভাঙার ঘটনায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে দায়ী করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের জাতীয় মুখপাত্র ডেরেক 'ব্রায়েন

তার অভিযোগ, কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যের ডিজি এবং এডিজি-কে বদল করেছে নির্বাচন কমিশন পাশাপাশি কোচবিহারের এসপি-কেও সরিয়ে দেওয়া হয় তার পরেই এই ঘটনা ঘটায় পুলিশের শীর্ষ স্তরে এই রদবদলকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ

ট্যুইটারে ডেরেক ব্রায়েন লিখেছেন, নিয়ম মেনে লড়াই করে যখন আমাদের সঙ্গে এঁটে উঠতে ব্যর্থ হয়ে এখন গুলি করে মারছেন?' মোদি-শাহকে ইঙ্গিত করে এর পর ডেরেক বলেছেন, 'আপনাদের নির্দেশেই সম্প্রতি রাজ্যের ডিজি, এডিজি এবং যেখানে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে সেখানকার পুলিশ সুপারকে বদল করেছে নির্বাচন কমিশন আপনাদের দু'জনের হাতেই রক্ত লেগে আছে কিন্তু আপনারা এর সঙ্গে অভ্যস্ত

উল্লেখ্য, শীতলকুচিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে জনের নিহতদের নাম হামিদুল হক, সামিয়ুল হক, মনিরুল হক, নুর আলম সকালে রাজনৈতিক সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে আরও একজনের

তৃণমূলের দাবি, বিনা প্ররোচনায় গুলি চালিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় বাহিনী

[product_price] => 1 [product_image] => public/image/eh3sx5dgny1xbulC3bxQ.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => 1 [created_at] => 2021-04-10 18:22:00 [updated_at] => 2021-04-10 18:22:09 [category_name] => আন্তর্জাতিক ) stdClass Object ( [product_id] => 238 [product_name] => রক্তাক্ত ভোট, কোচবিহারে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে মৃত ৪ [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 3 [editor_name] => [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => 1 [product_short_description] => [product_long_description] =>

পশ্চিমবঙ্গে চতুর্থ পর্বের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে চারজন প্রাণ হারালেন। দলীয় সংঘর্ষে মারা গেছেন একজন। কোচবিহারের শীতলকুচিতে এই ঘটনা ঘটেছে

    

গত তিন পর্বে যা হয়নি, চতুর্থ পর্বে সেটাই হলো। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে কোচবিহারের শীতলকুচিতে ১২৬ নম্বর বুথের সামনে চারজন মারা গেলেন। আহত অন্তত চারজন। সকালে শীতলকুচির অন্য একটি বুথে ভোট দিতে গিয়ে আনন্দ বর্মন বলে একজন ১৮ বছর বয়সীর মৃত্যু হয়। অভিযোগ, রাজনৈতিক সংঘর্ষের ফলে তিনি মারা গেছেন। বিজেপি- দাবি, আনন্দ বর্মন তাদের সমর্থক

পুলিশ জানিয়েছে, শীতলকুচির ১২৬ নম্বর বুথের কাছে একটি ১৪ বছরের ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ে যায়। তারপর রটে যায় যে, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাকে মেরেছে। এই নিয়ে দুই দলের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালিয়েছে

তৃণমূলের দাবি, মৃত সকলেই তাদের সমর্থক। তৃণমূল সমর্থক গ্রামবাসীরা দাবি করেছেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বিজেপি সমর্থকরা এসেছিল। উত্তপ্ত কথা কাটাকাটি হয়। তারপরই কোনো কারণ ছাড়াই কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালায়

তবে বিশেষজ্ঞদের প্রশ্ন, এমন কী ঘটনা ঘটল যাতে প্রথমেই গুলি চালাতে হলো? গুলি সবসময়ই শেষ অস্ত্র।  প্রথমে লাঠি চালানো হয়, কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়। তারপর সংঘর্ষ ভয়ঙ্কর জায়গায় গেলে গুলি চলে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেছেন, গুলি তো পা লক্ষ্য করে চালানো যেত। সোজা বুকে কী করে গুলি লাগে?

শীতলকুচির তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায় কাঁদতে কাঁদতে বলেছেন, ''চারটে তরতাজা প্রাণ এভাবে চলে যাওয়ায় চোখের জল ধরে রাখতে পারছি না। পুরো ঘটনার জন্য বিজেপি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়ী।''

ঘটনার পরেই তৃণমূল বিজেপি- মধ্যে একেবারে শীর্ষ স্তরে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। শিলিগুড়িতে সভা করতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, ''কোচবিহারে যা হয়েছে তা খুবই খারাপ। মৃতদের পরিবারকে আমার সমবেদনা জানাই। কিন্তু বিজেপি- দিকে জনসমর্থন দেখে দিদি তার গুন্ডারা ঘাবড়ে গিয়েছে। তাই দিদি তাঁর গুন্ডারা সহিংসতার ঘটনা ঘটাচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে আক্রমণ করছে। আমি কমিশনের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, তারা কড়া ব্যবস্থা নিক।''

আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও জনসভায় জানিয়েছেন, রোববার তিনি শীতলকুচি যাবেন। যে জায়গায় এই ঘটনা ঘটেছে, সেখানে যাবেন। বেলা দুটো থেকে দুই ঘণ্টার জন্য তৃণমূল রাজ্যের সব জায়গায় কালো ব্যাজ পরে প্রতিবাদ জানাবে। তার সরাসরি অভিযোগ, বিজেপি কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিকে। তৃণমূল কর্মীদের উপর এই আক্রমণ তিনি বরদাস্ত করবেন না বলে জানিয়েছেন। গত কয়েকদিন ধরেই মমতা অভিযোগ করছিলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি-কে জাল ভোট দিতে সাহায্য করছে। 

প্রার্থী আক্রান্ত

চতুর্থ দফাতেও প্রার্থীরা আক্রান্ত হয়েছেন। দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহর গাড়িতে হামলা হয়েছে। অভিযোগ বিজেপি কর্মীরা আক্রমণ করেছিল। উদয়নের গাড়ির পিছনে সাংবাদিকদের গাড়ি ছিল। সেটিও আক্রান্ত হয়। বিজেপি- বক্তব্য, এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীলড়াইয়ের ফল

চুঁচুড়ায় আক্রান্ত হয়েছে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের গাড়ি। তার অভিযোগ, তৃণমূলের কর্মীরা গাড়িতে পাথর মেরে কাচ ভেঙে দেয়। লকেটের হাতে আঘাত লাগে। তৃণমূলের দাবি, লকেট ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন। সে জন্য স্থানীয় মানুষ তাদের বাধা দেয়

বিক্ষিপ্ত ঘটনা

কসবায় বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ বস্তিতে টাকা বিলি করছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে তৃণমূল বিক্ষোভ দেখায়। পরে বিজেপি কর্মীরা জমায়েত হলে পুলিশ লাঠি চালায়। বেলুড়ে লালবাবা কলেজে তৃণমূল বিজেপি- সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আরো কিছু জায়গা থেকে গোলমালের খবর এসেছে

পিকে- অডিও টেপ ফাঁস

এরই মধ্যে প্রশান্ত কিশোর বা পিকে- অডিও টেপ ফাঁস করেছেন বিজেপি- মিডিয়া সেলের প্রধান অমিত মালবীয়। এই টেপটা পিকে- ক্লাবহাউস চ্যাটের অংশ। যে অংশটুকু বিজেপি প্রকাশ করেছে, তার মধ্যে আছে, পিকে বলছেন, মোদী পশ্চিমবঙ্গে জনপ্রিয়। মোদী, হিন্দুত্ব, মেরুকরণ, হিন্দিভাষী, দলিত এগুলো বড় ফ্যাক্টর। মতুয়াদের ৭৫ শতাংশ ভোট বিজেপি পাবে। ২৫ শতাংশ পাবে তৃণমূল। সামগ্রিক হিন্দু ভোটের অর্ধেক বা তার বেশি বিজেপি পাবে। বিজেপি যে ভোট পাবে, তা মোদীর জন্য পাবে

পিকে হলেন মমতার রাজনৈতিক কৌশলদাতা। এই টেপ ফাঁস করে বিজেপি- দাবি, পিকে স্বীকার করে নিয়েছেন, তৃণমূল হারছে, বিজেপি জিতছে। কিন্তু পিকে টুইট করে বলেছেন, বিজেপি- সাহস থাকে তো পুরো কথপোকথন প্রকাশ করুক। কারণ, তিনি এখনো জোরের সঙ্গে বলছেন, বিজেপি ১০০টির বেশি আসন পাবে না। পুরো চ্যাট প্রকাশ পেলে বোঝা যাবে, তিনি কী বলেছিলেন

-dw, জিএইচ/এসজি(পিটিআই)

[product_price] => 1 [product_image] => public/image/VK9bPEXrRS9cnhwXNkpx.jpeg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => 1 [created_at] => 2021-04-10 18:22:00 [updated_at] => 2021-04-10 18:22:44 [category_name] => আন্তর্জাতিক ) stdClass Object ( [product_id] => 236 [product_name] => সরকার অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নিবে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে: আইনমন্ত্রী [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 5 [editor_name] => [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => 1 [product_short_description] => [product_long_description] =>

আইন, বিচার সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, দেশে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি কিংবা জনগণের সম্পদ বা জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে সরকার তার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নিবে

আজ শনিবার রাজধানীর আর্মড ফোর্সেস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাস জনিত রোগ কোভিড ১৯ এর দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন

আইনমন্ত্রী বলেন, জনগণ তাদের সেবা করার দায়িত্ব পালনের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে ভোট দিয়েছেন। সেখানে কেউ ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করলে সরকার অবশ্যই আইনানুগভাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করার জন্য বাংলাদেশে কার্যকর আইন আছে বলেও তিনি সতর্ক করে দেন

কোভিড ১৯ এর টিকা নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি মনে করেন, দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিলে এই রোগের তীব্রতা কমে যাবে। সেজন্য তিনি সকলকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেওয়ার অনুরোধ জানান। সকলকে এই টিকা দেওয়ার সক্ষমতা সরকারের রয়েছে বলেও তিনি জানান

[product_price] => 1 [product_image] => public/image/Vjbs2bKYAGKBZNLZl0pN.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => 1 [created_at] => 2021-04-10 18:21:00 [updated_at] => 2021-04-10 18:21:04 [category_name] => রাজনীতি ) stdClass Object ( [product_id] => 235 [product_name] => মিয়ানমারে সামরিক সদস্যকে হত্যার দায়ে ১৯ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 3 [editor_name] => [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => 1 [product_short_description] => [product_long_description] =>

এবার ১৯ বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিলো মিয়ানমারের সামরিক জান্তা। এক ক্যাপ্টেনের সহযোগীকে হত্যার দায়ে সামরিক আদালতে এই রায় দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত মাওয়াদ্দি টিভি।

সংবাদ মাধ্যম রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ দেশটির বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনের উত্তর ওকালাপা ডিসট্রিক্টে সেনাবাহিনীর এক ক্যাপ্টেনের সহযোগীকে হত্যার দায়ে সামরিক আদালতে এই ১৯ ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। দণ্ডিতদের মধ্যে ১৭ জন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। সামরিক অভ্যুত্থানের পর বিক্ষোভ মোকাবেলায় মিয়ানমারে এটিই প্রথম মৃত্যুদণ্ডের আদেশ।

শুক্রবার রাত থেকে মিয়ানমারের মধ্যাঞ্চলীয় শহর বাগোতে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন অভিযানে অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা যায়। বাগোর বিভিন্ন সড়কে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের তৈরি ব্যারিকেড সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ভাঙতে এলে সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ ও সৈন্যরা বৃষ্টির মতো বাগোর সড়কে গুলি ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। সৈন্যরা ভারী অস্ত্র ব্যবহার করেছে। এমনকি আমরা মর্টার শেলও পেয়েছি। নিহতদের লাশ তারা স্থানীয় প্যাগোডা ও স্কুল মাঠে জড়ো করে রাখে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অপরদিকে মিয়ানমারের অবস্থা পর্যবেক্ষণকারী থাইল্যান্ড-ভিত্তিক সংস্থা অ্যাসিসটেন্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনারস (এএপিপি) তাদের শুক্রবারের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত সামরিক অভ্যুত্থান-বিরোধী বিক্ষোভে অন্তত ৬১৮ জন নিহত হয়েছেন।

গত ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে এক বছরের জন্য দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে। তখন থেকে প্রতিদিনই মিয়ানমারের গণতন্ত্র-কামী বিক্ষোভকারীরা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছেন।এসব বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখন পর্যন্ত ৬১৮ জন নিহত হয়েছে। ভয়েজ অব আমেরিকা।

[product_price] => 1 [product_image] => public/image/Nrxs6ozJXh6B0ZAvyzTb.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => 1 [created_at] => 2021-04-10 18:19:00 [updated_at] => 2021-04-10 18:19:58 [category_name] => আন্তর্জাতিক ) stdClass Object ( [product_id] => 234 [product_name] => সেনা অভিযানে মিয়ানমারে এক রাতে নিহত ৬০ [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 3 [editor_name] => [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => 1 [product_short_description] => [product_long_description] =>

মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর অভিযানে কমপক্ষে ৬০ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ইয়াঙ্গুনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বাগো শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে তারা প্রাণ হারান।

রাতভর চালানো সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে চালানো ওই অভিযানে সামরিক বাহিনী প্রচলিত অস্ত্রের পাশাপাশি মেশিনগান, গ্রেনেড ও মর্টার শেল ব্যবহার করে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। 

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার মিয়ানমারের বাগো শহরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ করে।

স্থানীয় এক বাসিন্দার বরাত দিয়ে রেডিও ফ্রি এশিয়া জানায়, শুক্রবার রাত ৮টা পর্যন্ত স্থানীয়রা মাত্র তিনটি মরদেহ উদ্ধার করতে পেরেছেন। বাকিগুলো সেনা সদস্যরা স্থানীয় একটি প্যাগোডা এবং স্কুলে নিয়ে ফেলে রেখেছে।

এদিকে জান্তা সরকারের দমনপীড়ন ও সাধারণ মানুষের প্রাণহানির ঘটনায় মিয়ানমারের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি দেশটিতে নো-ফ্লাই জোন ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের দূত কিয়াও মোয়ে তুন। একইসঙ্গে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে সামরিক সরকারের ওপর আরও চাপ প্রয়োগ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, 'আমি দৃঢ়ভাবেভাবে বিশ্বাস করি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে জাতিসংঘের সুরক্ষা কাউন্সিল মিয়ানমারে এই নৃশংসতা চালিয়ে যেতে দেবে না।'

গত বছরের নভেম্বরের নির্বাচনে দেশটির নেত্রী অং সান সু চি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে আবারও ক্ষমতায় আসে। সামরিক বাহিনী এই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুললেও নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে বলে জানিয়ে দেয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করে। তখন থেকে প্রতিদিন মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামীরা জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছেন।

সামরিক জান্তা এ পর্যন্ত দেশটিতে অন্তত ৬১৮ জন বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছে।সেই সঙ্গে গ্রেপ্তার করেছে ৩ হাজার জনকে।

[product_price] => 1 [product_image] => public/image/S1keWN4O3aEf7e2ZN6Vi.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => 1 [created_at] => 2021-04-10 18:18:00 [updated_at] => 2021-04-10 18:18:55 [category_name] => আন্তর্জাতিক ) stdClass Object ( [product_id] => 241 [product_name] => ছাড় নেই, বৃহস্পতিবারের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন দিতে হবে [product_subhead] => [product_title_color] => #870d0d [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 7 [editor_name] => Staff Reporter [lead] => [category_lead] => 1 [is_tricker] => 1 [is_selected] => 1 [manufacture_id] => [product_short_description] => [product_long_description] =>

করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত সপ্তাহে চার দিন দোকানপাট বন্ধ ছিল। পরে ব্যবসায়ীদের আন্দোলনের মুখে গতকাল শুক্রবার থেকে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলার অনুমতি দেয় সরকার। পয়লা বৈশাখকে কেন্দ্র করে বেচাকেনা করতে চান ব্যবসায়ীরা।

কিন্তু সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউন দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে। সরকারি-বেসরকারি অফিসের পাশাপাশি দোকানপাট, যানবাহন—সবই বন্ধ থাকতে পারে। শুল্ক-কর কার্যালয়গুলো খোলা থাকবে কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।


করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি, বৈশাখ-রোজার বেচাকেনা—এসবের মধ্যেও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি আদেশ চিন্তায় ফেলেছে ব্যবসায়ীদের। এনবিআর বলেছে, নিয়ম অনুযায়ী ১৫ এপ্রিল বা আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে মার্চ মাসের বেচাকেনার হিসাব জানিয়ে দেশের সব ব্যবসায়ীকে নিজ নিজ কমিশনারেটে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে হবে, অন্যথায় আইন অনুযায়ী জরিমানা ও সুদ আরোপ হবে।


গত বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে একটি নতুন আদেশ জারি হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০১২ সালের ভ্যাট আইনের মূল্য সংযোজন ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালার বিধি ৪৭ অনুযায়ী, প্রতি কর মেয়াদের (প্রতি ইংরেজি মাস) বেচাকেনার বিপরীতে ভ্যাটের রিটার্ন পরের মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে জমার বাধ্যবাধকতা আছে। অন্যথায় জরিমানা ও সুদ আরোপের বিধান আছে। তাই ভ্যাটদাতারা যাতে সহজেই রিটার্ন দিতে পারেন, সে জন্য সব ভ্যাট কার্যালয় খোলা থাকবে।


এনবিআরের আদেশে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি ভ্যাট কার্যালয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে যাতে ভ্যাটদাতারা রিটার্ন জমা দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে। এ ছাড়া পুরো বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কমিশনার নিজে তদারক করবেন। আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে ভ্যাট রিটার্ন না দিলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং নির্ধারিত ভ্যাটের টাকার ওপর ২ শতাংশ হারে সুদ আরোপ হয়।


বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, এই করোনা পরিস্থিতিতে এমনিতেই ব্যবসায়ীরা চিন্তিত। এ ছাড়া লকডাউনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এমন অবস্থায় রিটার্ন দেওয়ার সময় বাড়াতেই হবে। আর সুদ, জরিমানাও মওকুফ করতে হবে। এনবিআরকে দেশের ব্যবসায়ীদের অবস্থা বুঝতে হবে।


কিন্তু ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তা দূর করার সুযোগও আছে। করোনার কারণে গত বছরের মে মাসে নতুন একটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ভ্যাট আইনে যা-ই থাকুক না কেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মহামারি ও দৈব-দুর্বিপাক বা যুদ্ধের কারণে জনস্বার্থে এমন আপৎকালীন সময়ের জন্য সুদ ও জরিমানা আদায় হতে অব্যাহতি প্রদানপূর্বক দাখিলপত্র পেশের সময়সীমা বৃদ্ধি করতে পারবে এনবিআর। গত বছর এই অধ্যাদেশ জারি করে সুদ ও জরিমানা মওকুফ করেছিল এনবিআর।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, এই পর্যন্ত ২ লাখ ৪৪ হাজার ১৬টি প্রতিষ্ঠান ভ্যাট নিবন্ধন নিয়েছে। এর মধ্যে গত মাসে ১ লাখ ২ হাজার ৮৭১টি প্রতিষ্ঠান প্রতি মাসের হিসাব-নিকাশ দিয়ে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করেছে।

[product_price] => [product_image] => public/image/V2TOXXK1tPmMvXRmv0D1.jpg [product_size] => [product_color] => [publication_status] => 1 [created_at] => 2021-04-10 08:39:40 [updated_at] => 2021-04-11 08:39:40 [category_name] => অর্থনীতি ) stdClass Object ( [product_id] => 233 [product_name] => করোনাভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচাতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী [product_subhead] => [product_title_color] => #000000 [product_head_title_color] => #000000 [product_subhead_title_color] => #000000 [category_id] => 13 [editor_name] => [lead] => [category_lead] => [is_tricker] => [is_selected] => [manufacture_id] => 1 [product_short_description] => [product_long_description] =>

করোনাভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্য ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আজ বৃহস্পতিবার ( এপ্রিল) লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিসিএস কর্মকর্তাদের ৭১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন। অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, মানুষকে বাঁচানোর জন্য। আপনারাও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চলবেন। সবাইকে ৎসাহিত করবেন। মাস্ক পরবেন। ঘরে ফিরে গরম পানির ভাপ নেবেন। গড়গড়া করবেন

বিসিএস কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সুপারিশ পেয়েছি। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করবো। আপনাদের ওপরই ওই দায়িত্ব পড়বে।৪১- উন্নত বাংলাদেশ গড়ার মূল সৈনিক আপনারা। সততা নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্বপালন করতে হবে

তিনি বলেন, মনে রাখতে হবে- আমরা বাঙালী, আমাদের মর্যাদার সঙ্গে দাঁড়াতে হবে। এজন্য মানুষের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আপনাদের কাজ করতে হবে। জনগণ প্রজাতন্ত্রের মালিক, সেটা মাথায় রেখে তাদের সেবা দিবেন

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২০-২১ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। উপলক্ষে নানা কর্মসূচি নিয়েছিলাম। করোনার কারণে অনেক কিছু করতে পারিনি। তবে সব ভূমিহীন গৃহহীনকে ঘর দিচ্ছি,